সোমবার, ২৯ Jun ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ দেশের সক্ষমতার জানান দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের জ্বালানির স্বাধীনতা জোরদার হবে বলে মত দিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় আণবিক শক্তি সংস্থা (রোসাটম) মহাপরিচালক।
প্রকল্প পরিচালক শৌকত আকবর বলছেন, আন্তর্জাতিক পরমাণু সংস্থার সব নিয়ম-নীতি মেনেই এগিয়ে চলছে প্রকল্পের কাজ।
রূপপুর প্রকল্প এলাকায় এই গম্বুজ আকৃতির স্থাপনায় রাখা হচ্ছে রিঅ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল বা পরমাণু চুল্লি। যাতে জ্বালানি হিসেবে দেওয়া হবে ইউরেনিয়াম। যা চেইন রিঅ্যাকশনের মাধ্যমে উৎপাদন করবে বিদ্যুৎ।
বুধবার রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটে বসানো হলো পরমাণু চুল্লি। প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে এর উদ্বোধন করেন।
গত বছর প্রথমটির পর এবার দ্বিতীয় পরমাণু চুল্লি স্থাপনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ সক্ষমতার জানান দিল বলে মনে করেন বিজ্ঞানমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রূপপুর প্রকল্পের সহায়তাকারী রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় আণবিক শক্তি সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক বলেন, কোভিড মহামারিতেও বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার কারণেই রূপপুর প্রকল্পে দ্রুত অগ্রগতি হয়েছে।
রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ বলেন, আমরা চারটি কুলিং টাওয়ার নির্মাণের জন্য সক্রিয়ভাবে কাজ করছি। আগামী বছরের মধ্যে প্রথম ইউনিটের চুল্লিতে জ্বালানি লোড করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। জ্বালানির স্বাধীনতা এ দেশের সার্বভৌমত্ব জোরদার করবে বলে মনে করি।
সর্বোচ্চ পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপ পেরিয়ে নকশা অনুযায়ী বসানো হচ্ছে প্রতিটি যন্ত্র। প্রকল্প পরিচালক জানান, পরমাণু নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইএই এর নীতিমালা মেনেই নির্মাণ কাজ চলছে।